1. gazisalahuddin93@gmail.com : Gazi Salahuddin : Gazi Salahuddin
  2. ksbrujmon@gmail.com : manacusa :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১২:১৭ অপরাহ্ন
সদ্য সংবাদ
চাঁদপুরে করোনার যন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা হাজীগঞ্জ পার্থ সারথি দেবনাথ (অনিক) এর পঞ্চম প্রয়াণ স্মৃতি স্বরণে অনুদান প্রদান একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২৪৭ জন, রোগী শনাক্তেও রেকর্ড হাজীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা জে এইচ নিরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হাজীগঞ্জ পৌর ৬নং ওয়ার্ড যুবসমাজের উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হাজীগঞ্জ লকডাউনের প্রথম দিনে ভ্রাম্যমান আদালতে ২৮ মামলা হাজীগঞ্জ লকডাউনের প্রথম দিনে ভ্রাম্যমান আদালতে ২৮ মামলা চাঁদপুরে ফেরিঘাটেই মারা গেল ২০ গরু বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম পাটোয়ারীর ইন্তেকাল ।। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হাজীগঞ্জে সূর্যের হাসি ক্লিনিকে ভয়াবহ জালিয়াতি

আধুনিক হাজীগঞ্জের রূপকার মেয়র লিপন

সাফিউল বাসার রুজমন
  • Update Time : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
  • ১০৭ Time View

আজকাল উন্নয়নের রূপকার শব্দটির যথার্থ ব্যবহার হারিয়ে যাচ্ছে । যত্রতত্র এই শব্দের ব্যবহার করে স্বার্থন্বেষী মহল যাকে তাকে খুশি করাতে এই তকমা লাগিয়ে দেয়।

একটি এলাকা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমেই উন্নয়ন সাধিত হয়। হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে ডাকাতিয়া নদীর উপর আটটি ব্রীজ তৈরীর মাধ্যমে ডাকাতিয়ার দু’পাড়ের অার্থ সামাজিক উন্নয়ন ঘটে। আশেপাশের জেলা উপজেলা থেকে হাজীগঞ্জ শহরমুখী হচ্ছে মানুষ। এতে করে ব্যবসায়িক ক্ষেত্র হিসেবে হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যাপক উন্নতি ঘটে। এছাড়াও শত শত কিঃমিঃ রাস্তা পাকাকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মান,দারিদ্র্য বিমোচন সহ সামগ্রীক উন্নয়ন সাধিত হয়। এতে উন্নয়নের রূপকার খেতাবটি পাওয়ার অন্যতম দাবীদার এ এলাকার বর্তমান সাংসদ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের।

এদিকে জেলার শ্রেষ্ঠ বানিজ্যিক শহর হাজীগঞ্জ। এই শহরকে আধুনিক রূপে রূপায়িত করে যাচ্ছেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার দু’দুবারের মেয়র আঃসঃমঃ মাহবুব উল আলম লিপন। তিনি হাজীগঞ্জ শহরকে চিরাচরিত উন্নয়ন গতিধারা থেকে বের করে প্রকৃত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেন।

চিরাচরিত উন্নয়নের বাহিরে একটি এলাকার সাহিত্য ও সাংস্কৃতির বিকাশের অগ্রগতির মাধ্যমেই উন্নয়নের মাপকাঠি করা হয়।

হাজীগঞ্জ পৌরসভা এখন সংস্কৃতির শহর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে।

একুশে বই মেলাঃ হাজীগঞ্জে বইমেলা শুরু করেন হাজীগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ। হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আঃসঃমঃ মাহবুব উল আলম লিপন প্রথম মেয়র যিনি ধারাবাহিক ভাবেই এই বই মেলার পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। বর্ষবরণ সহ জাতীয় দিবস গুলোতে ব্যাপক আকারে কর্মসূচী পালন করে থাকেন তিনি।

ক্রীড়া সংগঠকঃ আলোচিত মেয়র কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট, ব্যাডমিন্টন গোল্ড কাপ ও ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট সহ বিভিন্ন ক্রীড়ার আয়োজন করেন মেয়র। এতে করে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছেন ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাচ্ছে যুব সমাজ। এমন আয়োজনে হাজার হাজার যুবককে মাদক থেকে দূরে রাখছেন তিনি।

পৌর শিশু বিনোদন অঙ্গনঃ পৌর ভবনের প্রাঙ্গনে শিশুদের বিনোদনের জন্য পৌর শিশু বিনোদন অঙ্গন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম বারের মত হাজীগঞ্জে শিশুদের মনোরম পরিবেশে বিনোদনের ব্যবস্থা করেন এই মেয়রই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চত্বরঃ হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজারের চৌরাস্তায় নির্মান করেন মুজিব চত্বর। উন্নত কারুকার্যে দেশ সেরা ভাস্করদের মাধ্যমে স্বাধীনতার চিত্র ফুটিয়ে এক মনোমুগ্ধকর ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য তৈরি করেন তিনি।

প্রেসক্লাবঃ দীর্ঘ দিন যাবৎ হাজীগঞ্জে সাংবাদিকদের মাথা গোঁজার ঠাঁই মেলেনি। অতীতে বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি সহ দলীয় নেতাকর্মীরা দফায় দফায় আশ্বাস দিয়েও সাংবাদিকদের মেলেনি কোন বসার স্থান।
মেয়র লিপনের আর একটি যুগান্তরকারী পদক্ষেপে তিনি হাজীগঞ্জ সাংবাদিকদের জন্য একটি ভবনে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অফিস হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্মান কাজ করছেন।

পৌর পাঠাগারঃ একটি এলাকা তখনই উন্নত হয় যখন মানুষের জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্র তৈরি হয়। বই হচ্ছে জ্ঞান চর্চার অন্যতম মাধ্যম।
বর্তমান পৌর মেয়র একজন গর্বীত শিক্ষক রফিক উদ্দিন আহম্মদ (বিএসসি) এর সন্তান। ওনার ভাই এটি এম মোরশেদ আলম জাতীয় পর্যায়ের একজন লেখক। একজন সাহিত্যিক পরিবারের সন্তান হিসেবে শীঘ্রই পৌরবাসীকে দীর্ঘ দিনের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পৌর পাঠাগারও উপহার দিচ্ছেন তিনি।

চিত্রাংকন প্রতিযোগীতাঃ হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইতিহাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবছরই আয়োজন করে যাচ্ছেন মেয়র।

মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তিঃ পৌর এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও উপ বৃত্তি প্রদান করছে হাজীগঞ্জ পৌরসভা। ধারাবাহিক ভাবে এমন আয়োজনে শিক্ষার্থীরা উৎসাহিত হচ্ছে।

রাস্তাঘাট, ড্রেন কালভার্টের চিরাচরিত উন্নয়ন তিনি আবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন করে ব্যাতিক্রমি উদ্যোগে নিজেকে ভিন্নমাত্রার যথার্থই উন্নয়নের রূপকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮.৫০ বর্গকিমি (৭.১৪ বর্গমাইল) নিয়ে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা । ১৯৮৫ সালের ১৪ মার্চ হাজীগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে গ শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৯৮ সালের ১২ মে এ পৌরসভাকে খ শ্রেণীতে এবং ২০০৪ সালের ১২ জুলাই ক শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়।

২০১১ সালের সর্বশেষ শুমারী অনুযায়ী ১,০১,৫৭০ জনসংখ্যার এই পৌরসভায় নাগরিক সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের রূপকল্প শুরু হয় ২০১৫ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি।

হাজীগঞ্জে ১ম নৌকা প্রতীকে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হোন আঃসঃমঃ মাহবুব উল আলম লিপন। টানা দ্বিতীয় বারের মত নৌকা প্রতীকে পৌরসভার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হোন তিনি।

১দফায় দায়িত্ব গ্রহন করেই প্রায় ৫ কোটি টাকার ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে পথ চলা শুরু। বোঝা মাথায় নিয়ে আজ দেশে কয়েকটি পৌরসভার মধ্যে অন্যতম আত্মনির্ভরশীল পৌরসভা হিসেবে নিজেদের প্রমান দিয়েছেন মেয়র লিপন।

জলাবদ্ধতা নিরসনঃ ক্ষমতা গ্রহনে শুরুতেই ১০০দিনের কর্মসূচির ঘোষণা করেন মেয়র। প্রধান গুরুত্ব দেয়া হয় জলাবদ্ধতা নিরসনে। আলাউদ্দিন চেরাগ ঘষে নয়, লিপন ম্যাজিকেই ১০০দিনের পূর্বেই জলাবদ্ধতা মুক্ত হয় হাজীগঞ্জ পৌরসভা। যা দেশের সকল পৌরসভার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন তিনি।

কখনো বৃষ্টিতে, কখনো প্রচন্ড রোদে পরিছন্ন কর্মীদের সাথে থেকে দিক নির্দেশনা দিয়ে রাত দিন পরিশ্রম করেন। কখনো কখনো নিজেই নেমে পড়েন ড্রেন কালভার্টে। নিজ হাতে ড্রেনে আটকে যাওয়া ময়লার বাগাড় পরিস্কার করেন।
অথচ দু’এক মাস পূর্বেও কয়েক মিনিটের বৃষ্টিতে হাজীগঞ্জ বাজারে নৌকা চলার উপক্রম হতো।
এখন টানা কয়েকঘন্টার বৃষ্টিতেও পানি জমতে দেখা যায়না।

সারফেস ওয়াটার ট্রীটমেন্ট প্ল্যান্টঃ ব্যাতিক্রমী মেয়রের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন বহুল প্রতীক্ষিত ” পৌর সারফেস ওয়াটার ট্রীটমেন্ট প্ল্যান্ট। যা ২০জুন রোজ: রবিবার, বিকাল : ০৫:০০ ঘটিকায় হাজীগঞ্জ পৌরসভার ” সারফেস ওয়াটার ট্রীটমেন্ট প্ল্যান্ট ” এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

পৌরসভার ০৩ নং ওয়ার্ডের মিঠানিয়া ব্রীজ সংলগ্ন সারফেস ওয়াটার ট্রীটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রাঙ্গণে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তর এমপি উপস্থিত ছিলেন।

সারফেস ওয়াটার ট্রীটমেন্ট প্ল্যান্টঃ নির্মাণ ও বাস্তবায়নকারী সংস্থা: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও হাজীগঞ্জ পৌরসভা। অর্থায়ন করেন : বাংলাদেশ সরকার। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি। দরপত্র আহবান করা হয় ২০১৭ সালের ০২ জুন। ঠিকাদারঃ মেসার্স শামীম ট্রেডার্স।
প্রকল্পটি নির্মানে প্রায় ১২ (বার) কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন গড়ে ৪৩ লক্ষ ২০ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি পৌরবাসি পাবে। এই প্রকল্পটির আওতায় ইতিমধ্যে ৩১ কিলোমিটার পানির পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 manabsamaj
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarmanabsom23