1. gazisalahuddin93@gmail.com : Gazi Salahuddin : Gazi Salahuddin
  2. ksbrujmon@gmail.com : manacusa :
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইনের শুভেচ্ছা সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে ‘আম উৎসব’ ৫০ টাকায় রোগী দেখার ঘোষণা দিয়ে শাহরাস্তির উয়ারুক বাজারে মেডিল্যাব হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টার উদ্বোধন হাজীগঞ্জে সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’র শুভ উদ্বোধন আধুনিক হাজীগঞ্জের রূপকার মেয়র লিপন হাজীগঞ্জ উপজেলায় চার পরিবার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার চাঁদপুরে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ফাইন পরিশোধ করা যাবে উপায়-এ হাজীগঞ্জে বকেয়া ভাতার দাবীতে পিটিআই প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের মানববন্ধন হাজীগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পুর্নবাসন বিষয়ে উপজেলা প্রসাশনের প্রেস কনফারেন্স আজ চাঁদপুর জেলা প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য সাংবাদিক হৃদয় এর মায়ের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী

বিদ্যুতের সফলতায় প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন

মানবসমাজ ডেস্কঃ
  • Update Time : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ৮৩ Time View
  • *** সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ হতে ৯৯ ভাগে উন্নীত
    *** জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে ১৮,৫৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
    *** ২ হাজার ৯৬১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি স্বাক্ষর
    *** ৬৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন 

উন্নত দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মতো আধুনিক মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন।

দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি যার হাত ধরে এসেছে তিনি জানান মেগা পরিকল্পনার কথা। বাংলাদেশের আলোকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, একটি দেশ এগিয়ে নেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বিদ্যুৎ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী, সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে এক দশকে বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে যা বিগত ১০০ বছরেও হয়নি। সরকার বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার প্রদান করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে সবার জন্য নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণকল্পে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যার সুফল আমরা ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছি। ২০০৯ সালের জানুয়ারি হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত ১৮,৫৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ফলে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভসহ ২৪,৯৮২ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে এবং বিদ্যুতের সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ হতে ৯৯ ভাগে উন্নীত হয়েছে। তাছাড়া ১৪ হাজার ১১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প নির্মাণাধীন।

২ হাজার ৯৬১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি স্বাক্ষর প্রক্রিয়াধীন যেগুলো খুব শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে। তাছাড়া ৬৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে আরো ১৫ হাজার ১৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুরাতন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সংরক্ষণ, মেরামত বৃদ্ধির মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশে জ¦ালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ জ¦ালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক জানান, জ¦ালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের একক জ¦ালানি হিসেবে গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ক্রমান্বয়ে জ্বালানি বহুমুখীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার নানাবিধ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

এ লক্ষ্যে জমির প্রাপ্যতা, পরিবহন সুবিধা এবং লোড সেন্টার বিবেচনায় নিয়ে পায়রা, মহেশখালী ও মাতারবাড়ি এলাকাকে পাওয়ার হাব হিসেবে চিহ্নিত করে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রামপাল ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল প্রজেক্ট, মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল প্রজেক্ট এবং পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প। গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুরে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বিগত একযুগে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে বর্তমানে মোট সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ১২ হাজার ৬৯২ সার্কিট কিলোমিটার এবং বিতরণ লাইনের পরিমাণ ৬ লাখ ৩ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে জানিয়ে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলেন, বিদ্যুতের সামগ্রিক সিস্টেম লস ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৬.৮৫ শতাংশ থেকে প্রায় ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১১.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ২৮ হাজার সার্কিট কিলোমিটার এবং বিতরণ লাইনের পরিমাণ ৬ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

তাছাড়া আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে বাংলাদেশ এখন বিদ্যুতের মান ও সেবার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। অপরদিকে অটোমেশন ও ডিজিটাল সেবা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মতো  মানসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 manabsamaj
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarmanabsom23