1. gazisalahuddin93@gmail.com : Gazi Salahuddin : Gazi Salahuddin
  2. ksbrujmon@gmail.com : manacusa :
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
সদ্য সংবাদ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চুন্নু’র মায়ের দাফন সম্পন্ন হাজীগঞ্জে ১৩০পিস ইয়াবাসহ তিনজন আটক মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান হাজীগঞ্জের কালচো ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ স্থান পরিদর্শন করলেন ইউএনও মরহুম হাজী আব্দুল মান্নান চৌধুরী স্মৃতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত কচুয়ায় জানাজা নামাজের অনুষ্ঠান থেকে টাকা ও মোবাইল চুরি হাজীগঞ্জে দুই মামলায় দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রতারক খোকা গ্রেফতার হাজীগঞ্জে পুলিশ পেটানোর মামলায় বিএনপির ১০৯ নেতা-কর্মীকে জামিন হাজীগঞ্জে সাংসদ এর ঐচ্ছিক তহবিল হতে অসহায়, দুঃস্থ ও অতি দরিদ্রের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ হাজীগঞ্জে বেকার মহিলাদের কর্মসস্থানের জন্য ১৪ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন

কাউন্সিলর পদেঃ আ’লীগে প্রার্থীর ছড়াছড়ি বিএনপি’র সংখ্যাগরিষ্ঠতার সম্ভাবনা

মানবসমাজ ডেস্কঃ
  • Update Time : রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৬ Time View

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে একক প্রার্থী নির্ধারণ না হলে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে ধারনা করছেন বিজ্ঞজনেরা।

সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করছেন পাঁচ জন। এদের মধ্যে
বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ও জহিরুল ইসলাম। অপর দিকে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে এমন প্রার্থী রয়েছেন তিন জন।
এরা হলেন মাঈনুদ্দিন মিয়াজী, ও আবু তাহের লিটন ভূঁইয়া,কাজী মামুনুর রশিদ মাসুদ কাজী।
এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় কাউন্সিলর পদটি বিএনপির পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই বাচাইতে চূড়ান্ত হয় সাত জনের। এদের মধ্যে বিএনপির একক প্রার্থী সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন। অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন এই ওয়ার্ডে ছয় জন। এরা হলেন, আলাউদ্দিন মুন্সী , রাধাকান্ত রাজু, মোঃ নান্নু মিয়া, রাকিবুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, আবিদ মিয়া।এই ওয়ার্ডে ৬ জন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে একজন মাত্র বিএনপির প্রার্থী থাকায় কাউন্সিলর পদটি বিএনপির দিকেই যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৩নং ওয়ার্ড থেকে ৬ জনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইতে চূড়ান্ত হন । এই ওয়ার্ডে মহসিন ফারুক বাদল, মোঃ মমিন বিএনপির প্রার্থী অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছে চারজন। এরা হলেন রায়হানুর রহমান জনি, কামরুল ইসলাম খান, জসিম উদ্দিন তপদার ও মোহাম্মদ হোসেন।

এই ওয়ার্ডে বিএনপির দুজন প্রার্থী থাকলেও একজন প্রার্থী অপেক্ষাকৃত দুর্বল হওয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সাথে কঠিন লড়াইয়ে যেতে পারে বিএনপির প্রার্থী।

৪নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জনের মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত হন। তারা হলেন মোহাম্মদ জাহিদুল আজহার আলম, মোঃ তাজুল ইসলাম, মনির হোসেন সাগর ও আবু হেনা বাবলু। এই ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে সবাই আওয়ামী লীগের । এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মধ্যেই কাউন্সিলর হচ্ছে।

৫নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন রিটন চন্দ্র সাহা , সুমন তপদার ও কার্তিক সাহা এদের সকলেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এছাড়াও জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আলাউদ্দিন চৌধুরী মাঠে রয়েছেন।
তবে এই ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগেই কাউন্সিলর থাকবে বলে ধারনা করা যায়।

৬নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একজন মাত্র প্রার্থী হলেও বিএনপির রয়েছে তিনজন।আওয়ামীলীগের প্রার্থী হলেন মোঃ শাহআলম।

বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন, সাহাব উদ্দিন শাবু
মোঃ রাছেল মিয়া । এছাড়াও এই ওয়ার্ডে রয়েছে সাংবাদিক মেহেদী হাসান নামের আরেকজন কাউন্সিলর প্রার্থী। এ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আবু বকর ছিদ্দিক মনোনয়নপত্র সংগ্রহের দিন মারা যান। তবে এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী শাহ আলম কাউন্সিলর হবার সম্ভাবনা বেশি।

৭নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৩ জন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিএনপি’র ২ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন এমরান হোসেন মুন্সী ও মোঃ শাহজাহান তালুকদার।
আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন কাজী মনির হোসেন।
বিএনপির অধ্যুষিত এলাকায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

৮নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন মুরাদ হোসেন মিরণ।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হলেন হাজী কবির কাজী মোবারক হোসেন কাজী।
বিএনপি অধ্যুষিত ৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় বিএনপি প্রার্থীদের পাল্লাই ভারি বলে জানান বিজ্ঞজনরা।

৯নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৬ জন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র দাখিল করে যাচাই-বাছাইতে চূড়ান্ত হন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত চার জন রয়েছে এই ওয়ার্ডে। তারা হলেন আজাদ হোসেন মজুমদার, হাফেজ মোস্তফা কামাল, আইয়ুব আলী,শাহাদাত হোসেন বাবুল।
বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছেন সালেহ আহম্মদ রানা। এছাড়াও মোঃ জামাল হোসেন যিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে জানা যায়।
এই ওয়ার্ডে ৪জন আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিপরীতে একজন মাত্র বিএনপির প্রার্থী থাকায় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর পদটি হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

১০নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত হয়।
বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী রয়েছেন তিনজন। এরা হচ্ছেন খোরশেদ আলম ভুট্টো, মোঃ বিল্লাল হোসেন, আঃ রাজ্জাক।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত হাবিব-উন-নবী সোহেল প্রার্থী রয়েছেন।
তবে এই ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

১১নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত হয়। তারা হলেন মোঃ শুকু মিয়া, সাংবাদিক মুন্সী মোহাম্মদ মনির,সাদেকুজ্জামান। এদের সকলেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত । বিএনপির একক প্রার্থী মোঃ হারুন অর রশিদ ।
বিএনপি অধ্যুষিত রান্ধুনীমুড়া হয় এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের তিনজন প্রার্থী রয়েছে। অপরদিকে বিএনপির একক প্রার্থী থাকায় কাউন্সিলর পদটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হতে পারে এই ওয়ার্ড।

১২নং ওয়ার্ড থেকে মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত হয় ৩ জনের । বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী একজন তিনি মোঃ নূরুল ইসলাম বেপারী।
আওয়ামী লীগের মোঃ শাহআলম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম। তবে এই ওয়ার্ড থেকে সাবেক কাউন্সিলর মোঃ নূরুল ইসলাম বেপারী আবারও কাউন্সিলর হওয়ার ধারণা করা হচ্ছে।

সংরক্ষিত-১, ২, ৩ ও ৪ নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ১৫ জন প্রার্থীর সবাই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে সংরক্ষিত-১ (ওয়ার্ড নং : ১, ২ ও ৩) থেকে ২ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন কাজলী রাণী সরকার ও রোকেয়া বেগম।

সংরক্ষিত-২ (ওয়ার্ড নং : ৪, ৫ ও ৬) থেকে ৩ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন শাহিদা বেগম, মমতাজ বেগম মুক্তা ও লুৎফুন নাহার রিনা।

সংরক্ষিত-৩ (ওয়ার্ড নং : ৭, ৮ ও ৯) থেকে ৬ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তারা হলেন জোহরা বেগম, মোসাম্মৎ মিনু আক্তার, সাবিনা ইয়াছমিন নিপা, শারমিন আক্তার মিনু, রোকেয়া বেগম ও ফরিদা ইয়াসমিন।

সংরক্ষিত-৪ (ওয়ার্ড নং : ১০, ১১ ও ১২) থেকে ৪ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তারা হলেন রেজিয়া বেগম, নাজমুন নাহার ঝুমু, বিবি হাওয়া ও জাহানারা বেগম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 manabsamaj
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarmanabsom23